যারা প্রতিদিন ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। সম্প্রতি আমেরিকা আলাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এ বিষয়টি ধরা পড়ে। এর আগে এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা হলেও এই প্রথম স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ার প্রমাণ পান তারা।
অধ্যাপক হাওয়ার্ডের নেতৃত্বে গবেষকরা পাঁচ হাজারেরও বেশি মাঝবয়সী ব্যক্তির ওপর তিন বছর ধরে পরীক্ষা চালান। ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান এরকম ব্যক্তিদের এক দলে এবং এর বেশি ঘুমান এরকম ব্যক্তিদের আরেক দলে রাখা হয়। তাদের প্রত্যেককেই গবেষকদের কাছে ছয় মাস পরপর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
পরে দেখা যায় যারা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমাতেন, তাদের মধ্যে স্ট্রোকের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেকের একবার মাইল্ড স্ট্রোকও হয়েছে। যদিও তাদের অনেকের স্বাস্থ্য বেশ ভালো এবং পরিবারে স্ট্রোকের কোনো ইতিহাস নেই।
অন্যদিকে যারা ৬ ঘণ্টার বেশি ঘুমাতেন তাদের মধ্যে এ ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা দেয়নি। বরং অনেকটা নীরোগভাবে তারা বেঁচে আছেন। -
অধ্যাপক হাওয়ার্ডের নেতৃত্বে গবেষকরা পাঁচ হাজারেরও বেশি মাঝবয়সী ব্যক্তির ওপর তিন বছর ধরে পরীক্ষা চালান। ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান এরকম ব্যক্তিদের এক দলে এবং এর বেশি ঘুমান এরকম ব্যক্তিদের আরেক দলে রাখা হয়। তাদের প্রত্যেককেই গবেষকদের কাছে ছয় মাস পরপর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
পরে দেখা যায় যারা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমাতেন, তাদের মধ্যে স্ট্রোকের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেকের একবার মাইল্ড স্ট্রোকও হয়েছে। যদিও তাদের অনেকের স্বাস্থ্য বেশ ভালো এবং পরিবারে স্ট্রোকের কোনো ইতিহাস নেই।
অন্যদিকে যারা ৬ ঘণ্টার বেশি ঘুমাতেন তাদের মধ্যে এ ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা দেয়নি। বরং অনেকটা নীরোগভাবে তারা বেঁচে আছেন। -
